সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে চান সাবেক ছাত্রদল নেত্রী অধ্যাপক শাহরিয়া শারমিন
মোঃ সজিব সরদার পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছেন পটুয়াখালীর এ কে এম কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রী অধ্যাপক শাহরিয়া শারমিন।
ইতোমধ্যে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে নিজের জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা দিয়েছেন এবং দলীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানা যায়, অধ্যাপক শাহরিয়া শারমিন দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পটুয়াখালী জেলা শাখার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং নেতৃত্বের ভূমিকাও পালন করেছেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আয়োজিত মিছিলে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। ওই সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হন বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে কাজ করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বিগত প্রায় ১৬ বছর বিভিন্ন প্রতিকূলতা, চাপ ও নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন।
তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার স্বামী বশির আহমেদ তালুকদার দুমকীর একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও এফবিসিসিআইয়ের সদস্য। পাশাপাশি তিনি জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ, জেলা ও মহানগর কমিটির সমন্বয় এবং নতুন সদস্য সংগ্রহে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। অতীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সহায়তা করায় তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল বলে জানা যায়।
অধ্যাপক শাহরিয়ার পিতা সাইদুর রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন একজন ত্যাগী নেতা ছিলেন। তিনি দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর দলীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তার ভাই তরিকুল ইসলাম লিটন পটুয়াখালী পৌরসভার তিনবার নির্বাচিত কমিশনার এবং বর্তমানে ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা, ভোটারদের সংগঠিত করা এবং ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে জনমত গঠনে অধ্যাপক শাহরিয়া শারমিন ও তার স্বামী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
দলীয় মনোনয়ন পেলে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়ন, নারী নেতৃত্ব বিকাশ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।



