দুমকিতে ১৫শ অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
মোঃ সজিব সরদা পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মানবিক এই উদ্যোগের মাধ্যমে উপজেলার প্রায় ১৫শ সুবিধাবঞ্চিত পরিবার ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পেয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার নতুন বাজারে অবস্থিত আল মামুন সুপার মার্কেট প্রাঙ্গণে “ফেয়ার ইউনাইটেড” গ্রুপের উদ্যোগে এ ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আল মামুন বাবুর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুমকি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র, নিম্নআয়ের ও অসহায় মানুষের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।
বিতরণকৃত উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আলু, ভোজ্য তেল,পেঁয়াজ,সেমাই,চিনি ও সাবানসহ ঈদকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। এসব সামগ্রী পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলো আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে মাসুদ আল মামুন বাবু দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। বিভিন্ন সময় তিনি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা, শীতবস্ত্র বিতরণসহ নানা ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এ ঈদ উপহার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আপতুন নেছা খাতুন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক মমতাজ উদ্দিন খান, দুমকি নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদুল ইসলাম সহিদ সরদার, উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকার সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সচেতন ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। ঈদের মতো আনন্দঘন উৎসবকে সামনে রেখে দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো নিঃসন্দেহে একটি মহৎ উদ্যোগ।
এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম সমাজে সহমর্মিতা, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃতভাবে চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।



