হবিগঞ্জে দাড়ি রাখায় লঘুদণ্ড বিষয়ে গুজব

হবিগঞ্জে দাড়ি রাখায় লঘুদণ্ড সংক্রান্ত একটি স্পর্শকাতর বিষয় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আংশিকভাবে প্রচারিত হলে জেলায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

হবিগঞ্জে দাড়ি রাখায় লঘুদণ্ড বিষয়ে গুজব

স্বপন রবি দাশ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:হবিগঞ্জে দাড়ি রাখায় লঘুদণ্ড সংক্রান্ত একটি স্পর্শকাতর বিষয় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আংশিকভাবে প্রচারিত হলে জেলায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। ধর্মীয় অনুভূতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার কথা মাথায় রেখে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ।

এ প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জেলার শীর্ষস্থানীয় আলেম ও খতিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ কোর্ট জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান, বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব মুফতি আলমগীর হোসেন, জেলা ইমাম ও খতিব সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুফতি কে এম এ ওয়াহাব নাঈমী, সদর মডেল থানা মসজিদের খতিব মুফতি কামরুল ইসলাম, আল এনাতাবাদ জামে মসজিদের খতিব মুফতি হাফেজ জাকারিয়া আহমদ, ২নং পুল সুন্নী জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবুল বাশার হানাফী, এবং কেন্দ্রীয় সুন্নী জামে মসজিদের খতিব মো. আব্দুল মজিদ পিরিজপুরীসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ইসলামি ব্যক্তিত্বরা।

এছাড়া ফোনে আলোচনা হয় নুরুল হেরা জামে মসজিদের খতিব হাফিজ মাওলানা মাসরুরুল হক হবিগঞ্জী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মো. শামসুল হুদার সঙ্গে।

সভায় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয় যে, ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে দাড়ি রাখা একটি ধর্মীয় নির্দেশনা হলেও এ বিষয়ে কাউকে কোনো আইনি শাস্তি প্রদান করা হয়নি। এ সংক্রান্ত যেসব তথ্য প্রচারিত হয়েছে, তা আংশিক এবং বিভ্রান্তিকর। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র ও তথ্য উপস্থাপন করে সংশ্লিষ্টদের আশ্বস্ত করা হয়।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারী সকলেই পুলিশ প্রশাসনের ব্যাখ্যায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জেলার ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ এ ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে দূরে থাকার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া কিছু না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।