নাসিরনগর হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবনে দুর্ভোগ চরমে 

ঘনকুয়াশা,কনকনে শীতের তীব্রতায় নাসিরনগরে সাধারণ মানুষের জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। জেঁকে বসেছে শীত,তাপমাত্রা নামল ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে

নাসিরনগর হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবনে দুর্ভোগ চরমে 

সুজিত কুমার চক্রবর্তী নাসিরনগর স্টাফ রিপোর্টারঃ ঘনকুয়াশা,কনকনে শীতের তীব্রতায় নাসিরনগরে সাধারণ মানুষের জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। জেঁকে বসেছে শীত,তাপমাত্রা নামল ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ভোরে সূর্যের আলোর পরিবর্তে আকাশে ঘন কুয়াশার ঘুর্ণায়মান চাদরে ঢাকা পড়ছে মাঠ ঘাট সড়ক–জনপদ। তীব্র শীত ও হিমেল বাতাসে জনজীবনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। 

বুধবার (৭ জানুয়ারি ) সকাল ৬ টায় নাসিরনগরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমন বৈরী আবহাওয়া এবং হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় শ্রমিক, দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হচ্ছে না। শীতবস্ত্রের অভাবে শীতার্ত গরিব ও ছিন্নমূল মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। শীতজনিত কারণে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বেড়েছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো ঠান্ডাজনিত রোগ।

অটোরিকশা চালক দুলাল মিয়া, মিজানুর রহমান বলেন, যে পরিমাণ ঠান্ডা বাতাস বইছে, তাতে মানুষ বাড়ি থেকে কম বের হয় তাই ভাড়া কমে গেছে। দিনমজুর মোঃ কুদ্দুছ মিয়া, রাজ্জাক মিয়া বলেন, ভোরে কাজের জন্য বের হলেই হাত-পা যেন বরফ হয়ে যায়। তারপরও পেটের দায়ে কাজ খুঁজতে হয়। অনেক সময় কাজ না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অনেকেই। আবহাওয়া অফিস জানান, আগামীকাল থেকে দিনের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯২ শতাংশ। আগামী ১১ / ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।ঘন কুয়াশায় শীতকালীন সবজি ও ধানের বীজতলায় ছত্রাক জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সড়ক যোগাযোগে কর্মস্থলগামী মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।