প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি ও লবণের বিষয়ে নওগাঁয় এডভোকেসি সভা

বাংলাদেশ জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ফ্যন্ট – অফ প্যাকেজ লেবেলিং (FOPL) সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও করণীয় শীর্ষক এডভোকেসি সভা বৃহশপতিবার অনুষ্ঠিত

প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি ও লবণের বিষয়ে নওগাঁয় এডভোকেসি সভা

এ.বি.এস রতন স্টাফ রিপোর্টার :বাংলাদেশ জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ফ্যন্ট – অফ প্যাকেজ লেবেলিং (FOPL) সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও করণীয় শীর্ষক এডভোকেসি সভা বৃহশপতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নওগাঁ নিরাপদ খাদ্য অফিসারের সভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে নওগাঁ নিরাপদ খাদ্য অফিসার চিন্ময় প্রমানিক উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্যের মধ্যে প্রজন্ম মানবিক অধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী, সহকারি অধ্যাপক জাকিরুল ইসলাম, সাংবাদিক ও সমাজ সেবী আবু রেজা, প্রভাষক মামুনুর রশিদ, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নওগাঁ অফিস সহকারি মো. বাবুসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়,অতিরিক্ত চিনি, লবন, ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ মানুষের মাঝে অসংক্রামক রোগ সৃষ্টির অন্যতম কারণ। দেশের ক্রমবর্ধমান অসংক্রামক রোগ মোকাবেলা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ ও তথ্যের অধিকার রক্ষার জন্য জরুরিভাবে প্যাকেজজাত খাবারের উপর চিনি, লবন, ট্রান্সফ্যাট সংক্রান্ত তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা জরুরি।

 বিশ্বব্যাপী ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং ব্যবস্থা চালু করার মাধ্যমে চিনি, লবন, ট্রান্সফ্যাট সংক্রান্ত সর্তকতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। সরকারের উচিত বাংলাদেশে এ ধরনের স্বাস্থ্য সর্তকতা নিশ্চিতে দ্রুত ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং(FOPL) ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশে প্রায় ৭০% মৃত্যুর জন্য বর্তমানে অসংক্রামক রোগ দায়ী।আর এ সকল অসংক্রমক রোগের প্রধান কারণ চিনি, লবণ এব চর্বিযুক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার।

 মোট জনসংখ্যার ৯৭% প্রতি সপ্তাহে প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণ করে, সুস্পষ্ট পুষ্টি সম্পর্কিত তথ্যের অভাবে জনগণ গুরুতর স্বাস্থ্য ক্ষতি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতি বছর প্রায় ৬.৪ মিলিয়ন মানুষ চিকিৎসা করতে গিয়ে দারিদ্র হয়ে যাচ্ছে। তাই দ্রুত ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং(FOPL) এর মাধ্যমে প্যাকেটজাত খাবারের উপর চিনি, লবন ও ট্রান্সফ্যাট সংক্রান্ত সর্তকতা নিশ্চিত করে ভোক্তাদের অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহনে অধিকতর সচেতনতা বৃদ্ধি করবে।