সোলাইমানকে বাঁচতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান 

শিশু ছেলে সোলাইমান(৩) গত সপ্তাহ খানেক পূর্বে বাড়িতে হোঁচট খেয়ে পড়ে গরম পানির হাঁড়ি তার গায়ের উপর পড়লে সে দগ্ধ হয়

সোলাইমানকে বাঁচতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান 

মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ ‌চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি:- চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ধান্যঘরা গ্রামের ফকির পাড়ার হকার আলমগীর হোসেনের শিশু ছেলে সোলাইমান(৩) গত সপ্তাহ খানেক পূর্বে বাড়িতে হোঁচট খেয়ে পড়ে গরম পানির হাঁড়ি তার গায়ের উপর পড়লে সে দগ্ধ হয়। পুড়ে যায় তার ডান হাত বাম ও শরীরের কিছু অংশ।

অসহায় বাবা তার সন্তানকে সুস্থ করতে নিয়ে যান ঢাকার একটি হাসপাতালে। সেখানে তিনদিন চিকিৎসা করে টাকার অভাবে চিকিৎসা না করে ফেরত আসেন বাড়িতে।একদিকে সন্তানের দগ্ধ শরীরের তীব্র যন্ত্রনা ও তার গগনবিদারী আর্তনাদ অন্যদিকে অসহায় বাবা নির্বাক অর্থের অভাবে।কারন তার সহায় সম্বল বলতে কিচ্ছু নেই।থাকেন ভাই এর আশ্রয়ে ভাই ছেড়ে দেওয়া একটি ঘরে।সন্তানকে বাঁচাতে অসহায় আলমগীর শিশু সন্তান স্ত্রীকে সাথে নিয়ে প্রতিদিন ছুটছেন মানুষের দ্বারে দ্বারে।

আলমগীর জানান আমি আমার সন্তানকে বাঁচাতে চাই সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এসে আমাকে সহযোগীতা করলে বেঁচে যাবে তার শিশু সন্তান।ইতিমধ্যই ঘটনা জানতে পেরে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার উবাইদুর রহমান সাহেলের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি তৎক্ষনাৎ দামুড়হুদা উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকে সাথে নিয়ে সোলাইমানের পরিবারের হাতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের পক্ষ থেকে শিশু সোলাইমানের সুচিৎসায় ৫ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।শিশু সোলাইমানের সুস্থ হতে এখনো অর্ধলক্ষ টাকার উপরে প্রয়োজন বলে জানান তার পরিবারের লোকজন।

শিশু সোলাইমানকে বাঁচাতে ওতার সু চিকিৎসায় ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ সহ সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন সচেতন মহলসহ এলাকাবাসী।

সহযোগীতা করতে বিকাশ-01306546952