পবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে প্রচারণার অভিযোগে ৮ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে শোকজ
মোঃ সজিব সরদার পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষে প্রচারণার মাধ্যমে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ৮ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে পৃথক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাদের নোটিশ দেওয়া হয়। পত্র প্রাপ্তির সাত কার্যদিবসের মধ্যে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা উল্লেখ করে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
নোটিশপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মকর্তা হলেন—উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. জুয়েল হাওলাদার।
মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. ওয়াজকুরুনী, এএনএসভিএম অনুষদের মো. নঈম কাওছার এবং রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের মো. তানজিলুর রহমান। এছাড়াও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সেকশন অফিসার শামীম আহম্মদ, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সেকশন অফিসার আসমা আক্তার সেতু, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের সাময়িক বরখাস্তকৃত সেকশন অফিসার মো. আরিফুর রহমান পিয়েল এবং আইসিটি সেলের ডাটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর মো. ফিরোজ আলম।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

অফিস আদেশে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিভিন্ন ধারা এবং পবিপ্রবির কর্মচারীদের সাধারণ আচরণ ও শৃঙ্খলা বিধির ধারা ০২(ছ) পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে এসব অফিস আদেশ জারি করেন।
উল্লেখ্য, অভিযুক্তরা জুলাই বিরোধী অবস্থান ও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নানা ধরনের অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় তারা পুনরায় এ ধরনের গুরুদন্ড মূলক অপরাধ সংঘটিত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে দুর্নীতি অনিয়মসহ নানা ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানে বদ্ধপরিকর।



